চাঁদ বণিকের পালা নাটকের প্রশ্ন উত্তর বাংলা পর্ব দ্বিতীয় 6th Semester Bengali GE Question Answer Paper

প্রশ্ন ‘চাঁদ বণিকের পালা' নাটকে উল্লেখিত কয়েকটি বাদ্যযন্ত্রের নাম লেখো। 

উত্তর ‘চাঁদ বণিকের পালা’ নাটকে উল্লিখিত কয়েকটি বাদ্যযন্ত্রের নাম হল-ট্যাটরা ঢোল, নাকড়া, ঝাঁঝ, মৃদঙ্গ প্রভৃতি।


প্রশ্ন "বাইরে জুড়িদের আসর থেকে গান ওঠে-" গানটি কী ছিল?

 উত্তর প্রশ্নোদ্ধৃত অংশটির গানটি ছিল

“শুনরে নাইয়া বন্ধু

আগুবাড়ি চলো, সাগর পারায়ে তুমি দূর দেশে চলো।”


প্রশ্ন চাঁদ বণিকের পালা নাটকের দ্বিতীয় পর্বের সূচনা হয়েছে কীভাবে? এই পর্বের প্রথম বক্তা কে ছিল? 

উত্তর চাঁদ বণিকের পালা নাটকের দ্বিতীয় পর্বের সূচনা হয়েছে-“প্রথম পর্বের পর অনেক বছর কেটে গেছে।” এই পর্বের প্রথম বক্তা ছিলেন সনকা।


 |প্রশ্ন "আমার অসহ্য লাগে” কার কী অসহ্য লাগে?

উত্তর লখাইয়ের অসহ্য লাগে যে তার মা তাকে স্নেহ করে সেই কথাটা সনকা দিনে-রাতে বাড়ি মেরে ঘোষণা করে বলে।


প্রশ্ন “সমাজটা সেন বিষ্ঠাকুন্ড বল্যে মনে হয়”-সমাজটাকে কার ‘বিষ্ঠাকুণ্ড' বলে মনে হয় এবং কী মনে হয়?

উত্তর লখিন্দর জানায় সমাজটাকে যখন বিষ্ঠাকুণ্ড বলে তার মনে হয় তখন তার মায়ের বুকে মুখ রেখে যেন তার মনে হয় সে গঙ্গাস্নানে পবিত্র হয়েছে।


প্রশ্ন লহনা কে?

উত্তর

লহনা বৃদ্ধ পরিচারিকার নাম।


প্রশ্ন ন্যাড়া চাঁদকে ধরে কীভাবে?

উত্তর

ন্যাড়া চাঁদের প্রত্যাবর্তনকালে চাঁদকে চোর ভেবে উড়ুনি দিয়ে বাঁধতে যায় এবং চাঁদ ধরা পড়ে সন্ধ্যাবেলাতে।


প্রশ্ন কে চাঁদের নামে কলঙ্ক লেপন করতে চায়? কী বলে?

উত্তর বোবট্ট চাদের নামে কলঙ্ক লেপন করতে চায়। এই বলে যে, সে সঙ্গীদের ফাঁকি দিয়ে সব সোনা দান নিজের কবলে পুরে পালিয়ে এসেছে এবং চাঁদের ঘরণী অর্থাৎ সনকার সম্বন্ধে বলে যে চাঁদের ঘরণী বেণীনন্দনের সাথে নষ্টামি করেছে।



প্রশ্ন সনকা চোরের শাস্তির কথা কী জানায়?

উত্তর

সনকা চোরের শাস্তি দেয় “কান দুট্যা কেটে চৌপথের” মানখানে বেঁধে রেখে আসতে বলে। | 


প্রশ্ন চাঁদ বণিকের পালা নাটকে কার কথাতে কৌটিল্যের নীতিকথার উল্লেখ আছে?

উত্তর

চাঁদ বণিকের পালা নাটকে বনমালীর কথাতে কৌটিল্যের নীতি কথার উল্লেখ আছে।


প্রশ্ন সনকা লহনাকে কর্পূর কাঠের বড়ো পেটিকাট্যা থেকে কী কী আনতে বলেছিল?

উত্তর

সনকা লহনাকে কর্পূর কাঠের বড়ো পেটিকাট্যা থেকে একজোড়া ধুতি ও উড়ুনি বের করে রাখতে বলেছিল।

RELATED POSTS 

প্রশ্ন হেতালের লাঠি কার হাতে ছিল?

উত্তর চাঁদ সদাগরের হাতে হেতালের লাঠি ছিল।


প্রশ্ন "আমরা সকলে তোমার নিকটতম ভক্তদের মধ্যে ছিনু যে তখন।”—আমরা বলতে কারা? 


উত্তর 'আমরা' বলতে চাঁদ সদাগরের নিকটতম ভক্তদের নরহরি, শিবদাস ও ভবদেবকে বোঝানো হয়েছে।


 প্রশ্ন "শ্রী বেণীনন্দন হোল আমাদের এখনের মহামান্ডলিক’-আগেকার মহামান্ডলিকের নাম কি ছিল? কেন তাকে সরানো হল?


উত্তর প্রশ্নোদ্ধৃত অংশে আগেকার মহামান্ডলিক ছিল বল্লভাচার্য।

কারণ বল্লভাচার্যের প্রতি মন্ত্রী মহাশয় প্রচুর অসন্তুষ্ট হন কেননা সে চাঁদের অভিযান রোধ করতে পারেনি বলে।


প্রশ্ন “আমার এ ভিক্ষায় অর্জিত অন্ন একদিন কিংবা দু'দিন খেয়েছে।”-কার ভিক্ষায় অর্জিত অন্নকে, একদিন কিংবা দুইদিন খেয়েছিল? 

উত্তর বল্লভাচার্যের ভিক্ষায় অর্জিত অন্ন তাঁর স্ত্রী অর্থাৎ চাঁদ সদাগরের গুরু মা একদিন কিংবা দুদিন খেয়েছে।


প্রশ্ন “এই মোর পরিচয়।”-কে, কার কাছে কীভাবে নিজের পরিচয় দিয়েছিল?

উত্তর

চাঁদ সদাগর পত্নী সনকার কাছে নিজের পরিচয় দিয়েছিল। চাঁদ সদাগর ‘মোর পরিচয়' হিসাবে যা যা বলেছিল তা নিম্নরূপ

(ক) তিনি অসৎ নন।

 (খ) সে শিবভক্ত। সত্যপথে চলে জীবনের জ্ঞানের আলো প্রতিষ্ঠিত করণের প্রয়াস পেয়েছে। 

(গ) তিনি সর্বস্ব খুইয়েও চ্যাং মুড়ি কানী অর্থাৎ মনসার নিকট মাথানত করেন নি।


প্রশ্ন "পুনরায় বিবাহ করেছি!”-কে, কত বছরের মেয়েকে পুনরায় বিয়ে করেছিল? 

উত্তর চাঁদ সদাগরের শিক্ষা গুরু বল্লভাচার্য পুনরায় বিয়ে করেছিল চতুর্দশ বর্ষীয়া কন্যাকে।


প্রশ্ন "নগরীর মধ্যে বেণীর বিপক্ষ পক্ষ গঠন করেছি।”-কে নগরীর মধ্যে বেণীর বিপক্ষ পক্ষ গঠন করেছিল? এখানে কোন নগরীর কথা বলা হয়েছে?

উত্তর 

করালী নগরীর মধ্যে বেণীর বিপক্ষ পক্ষ গঠন করেছিল। এখানে চম্পক নগরীর কথা বলা হয়েছে।


প্রশ্ন "তোমার সম্মানে আসর বসার মোরা।”-কে, কার সম্মানার্থে আসর বসাবে? সঙ্গে আর কী করবে বলেছিল? 

উত্তর বেণীর বিপক্ষ ভৈরব, চাঁদ-এর সম্মানে আসর বসাবে। সঙ্গে সঙ্গে সভাতে চতুর্দিকে অভ্যর্থনা দেওয়ার ব্যবস্থা করবে। যদি সে ভৈরবের পক্ষ অবলম্বন করে বেণীর বিরুদ্ধে। |


প্রশ্ন “তোমারে তো প্রশ্ন করা মিছে। তুমি তো কখনো কোনো উত্তর দেওনাক।”-কে, কাকে উদ্দেশ্য করে কথা কয়টি বলেছিল?

উত্তর চাঁদ সদাগর দেবাদিদেব মহাদেব শিবকে উদ্দেশ্য করে কথাগুলি বলেছিল।

প্রশ্ন “ছি ছিল, এইসব কথা উচ্চারণ কোরোনাক ছোট সদাগর।”-কে, কাকে, কোন সব কথা উচ্চারণ করতে বারণ করেছিল ?

উত্তর ন্যাড়া ছোট সদাগর (লখিন্দর) কে বারণ করেছিল উচ্চারণ করতে যে, সে নাকি বেণীর জারজপুত্র।

প্রশ্ন “এই সাক্ষী-আমার সে কাপুরুষতার।”—‘এই’ বলতে কাকে বোঝানো হয়েছে? ‘আমার' বলকে কে? ‘সে কাপুরুষতা’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

উত্তর

‘এই’ বলতে ন্যাড়াকে বোঝানো হয়েছে। ‘আমার’ বলতে লখিন্দরকে এবং ‘সে কাপুরুষতা বলতে লখিন্দরের মার খাওয়ানোকে বোঝানো হয়েছে। 


প্রশ্ন “এই কথা মনে হলো মোর। এই তো মানুষ"-কার, কী মনে হয়েছিল মানুষ সম্পর্কে?

উত্তর

লখিন্দরের মানুষ সম্পর্কে মনে হয়েছিল যে প্রথমে কৃমির মতো, পরে কৃমি হতে আরো নীচ, আরো কোনো জঘন্য কীট বলে মনে হয়।

প্রশ্ন “কালীদহে পড়ে আমারেই গালি দেছে।" -কারা কাকে গালি দিয়েছিল? একমাত্র কে গালি দেয় নি? 

উত্তর চাঁদ সদাগরকে কালীদহে পড়ে সকল নাবিককে শত্রু ভেবে গঞ্জনা দিয়েছে। একমাত্র শিবদাস চাঁদকে গালি দেয়নি।


প্রশ্ন “শান্তি এনো স্বামীর জীবনে। শান্তি এনো স্বামীর সংসারে”-কে, কাকে উদ্দেশ্য করে কথাগুলি বলেছিল?

উত্তর

বেহুলার পিতামাতা বেহুলাকে উদ্দেশ্য করে কথাগুলি বলেছিল।


প্রশ্ন “তোমা সাথে এতোদিন অহরহ যুদ্ধ করে করে ক্লান্ত লাগে আজ। তুমি মোর সবচ্যায়া বড়ো শত্রু।”—কে, কাকে উদ্দেশ্য করে কথাগুলি বলেছে?

উত্তর সনকা তাঁর স্বামীকে উদ্দেশ্য করে কথা কয়টি বলেছিল।


 প্রশ্ন “যুবতীর ছদ্মবেশে নাগিনী এয়্যেঠে ওটা”–কে, কাকে কখন একথা বলেছিল? 

উত্তর. সনকার পুত্র লখিন্দর কালসর্পের দংশনে মারা গেলে শোকাতুর মাতৃহৃদয় সনকা বেহুলাকে কাল ভুজঙ্গিনীর সঙ্গে তুলনা করে একথা বলেছিল।


 প্রশ্ন তৃতীয় পর্বটি কটি অংশে বিভক্ত? 

উত্তর তৃতীয় পর্বটি দুটি অংশে বিভক্ত।


প্রশ্ন কোন ছদ্মনামে প্রথম চাঁদ বণিকের পালা নাট্যকার রচনা করেন?

উত্তর বটুক ছদ্মনামে প্রথম চাঁদ বণিকের পালা নাট্যকার রচনা করে।


একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Thanks For Contact 😊😊

নবীনতর পূর্বতন