চাঁদ বণিকের পালা নাটকের প্রশ্ন উত্তর বাংলা 6th Semester Bengali GE Question Answer Paper

চাঁদ বণিকের পালা নাটকের প্রশ্ন উত্তর বাংলা


প্রশ্নচাঁদ বণিকের পালা' নাটকটি কার লেখা? নাটকটি কবে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়?

উত্তর

‘চাঁদ বণিকের পালা’ নাটকটি শম্ভু মিত্রের লেখা।

এই নাটকটি ১৯৭৭ খ্রিঃ গ্রন্থাকারের প্রকাশিত হয়।


প্রশ্ন ‘চাঁদ বণিকের পালা' নাটকটি কয় অঙ্কের নাটক? 

উত্তর

‘চাঁদ বণিকের পালা' নাটকটি তিন অঙ্কের নাটক। তবে নাট্যকার অঙ্ককে পর্ব নামে চিহ্নিত করেছেন। নাটকের তৃতীয় পর্ব আবার দুটি অংশে বিভক্ত-প্রথমাংশ ও শেষাংশ।


প্রশ্ন চাঁদ বণিকের পালা' নাটকটি প্রথম 'বহুরূপী' পত্রিকায় ছাপা হয়? নাট্যকার ঐ সময় কি ছদ্মনাম ব্যবহার করেছিলেন?

উত্তর

‘চাঁদ বণিকের পালা নাটকটি প্রথম 'বহুরূপী' পত্রিকায় ছাপা হয়। নাট্যকার ঐ সময় 'বটুক’ ছদ্মনাম ব্যবহার করেছিলেন।


প্রশ্ন চাঁদ বণিকের পালা নাটকটির প্রথম সংস্করণ কবে হয়? গ্রন্থটি কাকে উৎসর্গ করা হয়?

উত্তর

চাঁদ বণিকের পালা নাটকটির প্রথম সংস্করণ হয় মাঘ ১৩৮৪। গ্রন্থটি উৎসর্গ করা হয় বুলবুলকে।


প্রশ্ন ‘চাঁদ বণিকের পালা' নাটকটি শম্ভু মিত্রের জীবিতাবস্থায় শেষ কত নম্বর সংস্করণ হয়েছিল?

উত্তর ‘চাঁদ বণিকের পালা’ নাটকটির শম্ভু মিত্রের জীবিতাবস্থায় ষষ্ঠ সংস্করণ হয়েছিল।


প্রশ্ন ‘চাঁদ বণিকের পালা’ নাটকের প্রথম পর্বের সূচনাতে কোন্ নদী ও কোন্ নগরীর উল্লেখ আছে?


উত্তর শম্ভু মিত্রের লেখা 'চাঁদ বণিকের পালা’ নাটকের প্রথম পর্বের সূচনাতে গাঙ্গুড় নদী ও চম্পক নগরীর উল্লেখ আছে। 


 প্রশ্ন ‘চাঁদ বণিকের পালা' নাটকের প্রথম সংলাপ কী ছিল? সংলাপটি কার কথন দিয়ে শুরু হয়েছিল?

উত্তর

‘চাঁদ বণিকের পালা’ নাটকের প্রথম সংলাপ-ভাইরে, আমরা সমুদ্দুরের বুকে পাড়ি

দিবই দিব—”

এই সংলাপটি প্রথম ব্যক্তির কথন দিয়ে শুরু হয়েছিল।


প্রশ্ন শৌল্কিক কী ?

উত্তর

যারা নিজেদের শুল্ক ফাঁকি দিয়ে অপরের শুল্ক আদায় করে তারা হল মহামান্য বাম হস্ত কুশল শৌল্কিক বলে নাটকে উল্লিখিত হয়েছে।


প্রশ্ন চাঁদ বণিকের পালা নাটকের প্রথম গানটি কী ছিল? গানটি কে গেয়েছিল? 

উত্তর চাঁদ বণিকের পালা’ নাটকের প্রথম গানটি ছিল-“জাগো জাগো রে রাজকন্যা, বিয়্যা হবে আজ।”

গানটি রংবাহারী চাদরখানা জড়ানো একজন গায়।


প্রশ্ন “নূতন নাবিক সব শুন শুন”–‘নূতন নাবিকদের কে, কী শুনতে বলেছিল?

উত্তর দ্বিতীয় নাবিক ‘নূতন নাবিক' গল্পের উদ্দেশ্যে বলেছিল যে-“পোঁটলা পুঁটলি জিনিসপত্তর সব যথাবিধি কম নেওয়া চাই। মোট ঘাট বেশী হল্যে গাঙ্গুড়ের জলে তারে বিসর্জন দিয়া যেতে হবে।”


 প্রশ্ন “ওটার ওজন বড়ো বেশীই দেখায় যে—”-বক্তা কে? কার ওজন বড়ো বেশী দেখায়?

উত্তর

প্রশ্নোদ্ধৃত অংশটির বক্তা নরহরি।

নরহরির ভুঁড়ি আছে বলে সেই ভুঁড়ির ওজন বড়ো বেশী দেখায় বলে প্রথম নাবিক ব্যঙ্গ করেছেন।


প্রশ্ন “এট্টা কন্যাকীর্তন লাগাও হে”—কথাটি কে, কাকে বলেছিল? 'কন্যাকীর্তনটি' কী ছিল? 

উত্তর ভবদেব কথা কয়টি শিবদাসকে বলেছিল। কন্যাকীর্তনটি হল-" “কুঁচবরণ কন্যা তার মেঘবরণ চুল


প্রশ্ন "কিঞ্চিত দ্যাও হে সখা"-কে, কাকে, কী দেবার কথা বলেছিল?

উত্তর

শিবদাস ভবদেবকে তার গেঁজে থাকা ভাঙ পাতা দেবার কথা বলেছিল।


 প্রশ্ন অর্জুন গৌল্মিকের কন্যার নাম কী ?

উত্তর অর্জুন গৌম্মিকের কন্যার নাম চারুমতী।


প্রশ্ন চাঁদ বণিকের পালা নাটকে বাণিজ্যযাত্রার একেবারে সম্পূর্ণ বিপক্ষে কে ছিলেন? 

উত্তর চাঁদ বণিকের পালা নাটকে বাণিজ্য যাত্রার একেবারে সম্পূর্ণ বিপক্ষে ছিলেন মান্ডলিক বেণী নন্দন দত্ত।


প্রশ্ন  মহামান্ডলিকের যাত্রাবন্ধকরণের আজ্ঞাকে অস্বীকার করে যাত্রা করতে যাওয়ার কথা প্রথম কে বলেন?

উত্তর

 মহামান্ডলিকের যাত্রাবন্ধকরণের আজ্ঞাকে অস্বীকার করে যাত্রা করতে যাওয়ার কথা প্রথম বলে শিবদাস।


 প্রশ্ন “সে আমার ছাত্র ছিল, তারে আমি ভালমতে জানি”–কে, কার ছাত্র ছিল? বক্তার বেশীর ভাগ দিন কী করে কেটেছে?

উত্তর

চন্দ্রধর ছিল বল্লভাচার্যের ছাত্র।

বল্লভাচার্যের জীবনের বেশির ভাগ দিন কাটে অধ্যাপনা করে।


প্রশ্ন রাজাধিকরণে কর্মমধ্যে প্রধান প্রক্রিয়া কি? একথা কে বলেছিল?

উত্তর

রাজাধিকরণে কর্মমধ্যে প্রধান প্রক্রিয়া হল নিদ্রা। একথা বলেছিল বল্লভাচার্য।


প্রশ্ন “রাত্রিদিন তারি নামে এক শ্লোক উচ্চারণ করে যেত।”-কার নামে? শ্লোকটি কী ছিল?

উত্তর  এই শ্লোকের ফলে কী হয়েছিল? এই শ্লোকটি বল্লভাচার্যের সুযোগ্য সন্তান ভাস্করকে উল্লেখ করে।

শ্লোকটি ছিল

“মেদ ভরে নপুংসক ভাস্কর তস্কর

তাই পুত্রার্থে ভেকিনী করে পাইকের ঘর।” এর শ্লোকের ফলে ভাস্কর চাকরি ছেড়ে এখন দেশে।


প্রশ্ন এক পারে আমি, অন্য পারে চাঁদ”-এখানে 'আমি' বলতে কাকে বোঝানো হয়েছে?

উত্তর

এখানে 'আমি' বলতে বেণীকে বোঝানো হয়েছে।


প্রশ্ন “তোমাদের গুরুপত্নী”–গুরুপত্নীটি কার ছিল? সে কোন্ রোগে আক্রান্ত ছিল?

উত্তর চাঁদের গুরুপত্নী (বল্পভাচার্যের স্ত্রী)

সে দুরারোগ্য যক্ষারোগে আক্রান্ত ছিল।



প্রশ্ন “সে আমার প্রাণোপম বন্ধু ছিল।”-বক্তা কে? প্রাণোপম বন্ধুটির নাম কি ছিল? সে কীভাবে মারা যায় ? 

উত্তর প্রশ্নোদ্ধৃত অংশটির বক্তা চাঁদ (চন্দ্রধর বণিক)।

চাঁদের প্রাণোপম বন্ধুটি ছিল বল্লভাচার্যের জ্যেষ্ঠপুত্র সূর্য। সূর্য গঙ্গার স্রোতে এক বালককে বাঁচানো জন্য ঝাঁপ দেয় বালক বাঁচে কিন্তু সূর্য মারা যায়।


প্রশ্ন “তার কোনো ভবিষ্যৎ নাই।”-কার, কেন কোন্ ভবিষ্যৎ ছিল না?

উত্তর  বল্লভাচার্যের জ্যেষ্ঠপুত্র তথা চাঁদের প্রাণোপম বন্ধু সূর্য যে বালককে বাঁচানোর জন্য প্রাণ দেয় সে হল গ্রামের এক অতি হীন লম্পটের পুত্র। জন্ম থেকে জড়বুদ্ধি সম্পন্ন (বোকা) ও মৃগীরোগাক্রান্ত হওয়ায় তার কোনো ভবিষ্যৎ ছিল না। |


প্রশ্ন “এটা তো অন্যায়, একেবারে কুৎসিত অন্যায়।”-কে, কোন্ বিষয়কে অন্যায় বলেছিল?

উত্তর

বনমালী চাঁদের নিজস্ব মতামতকে তার উপরে চাপানোকে একেবারে কুৎসিত অন্যায় বলে মনে করে। 

RELATED POST 

প্রশ্ন বনমালীকে শিবদাস মারতে যায় কেন?

উত্তর

বনমালী চাঁদের বিরুদ্ধাচরণ করে বলে শিবদাস তাকে মারতে যায়।


 প্রশ্ন “তোমরা ভেড়ার ভেড়া।”—কে, কাদেরকে ভেড়ার সঙ্গে তুলনা করেছে?

উত্তর  বনমালী চাঁদের বুদ্ধিহীন স্তাবকদের অর্থাৎ নরহরিদের ভেড়ার সঙ্গে তুলনা করেছে।


প্রশ্ন “বাইরে জুড়িদের কণ্ঠে ধীর লয়ে গান ওঠে”–গানটি কী ছিল?

উত্তর  ‘চাঁদ বণিকের পালা’ নাটকের এই অংশে গানটি ছিল

“মহাদেব, মহাদেব

লক্ষ্যে অটল রাখো অনুগত চাঁদেরে মহাদেব, মহাদেব।”


প্রশ্ন ‘চাঁদ বণিকের পালা' নাটকে মঞ্চে প্রথম সনকার প্রবেশ কীভাবে হয়?

উত্তর  ‘চাঁদ বণিকের পালা’ নাটকে মঞ্চে প্রথম সনকার প্রবেশ হয় মনসার ঘট হাতে।


 প্রশ্ন সনকার মনসার ঘট স্থাপন করে দুই হাত জোড় করে যে স্তব করেছিল তার প্রথম দুই লাইন লেখো।

উত্তর

 সনকার মনসার ঘট স্থাপন করে দুই হাত জোড় করে যে স্তব করেছিল তার প্রথম দুই লাইন হল

“পাতালবাসিনী মাগো আন্ধার নাগিনী।

চৌদিকে ছায়াতে ঘোরে তোমার বাহিনী। | 


প্রশ্ন "আমার এ নির্বোধ স্বামীরে তুমি ক্ষমা করো।”-বক্তা কে? তার নির্বোধ স্বামীর নাম কি? একথা বলার কারণ কী?

উত্তর

প্রশ্নোদ্ধৃত অংশটির বক্তা সনকা। সনকার স্বামীর নাম চাঁদ সওদাগর। চাদের আরাধ্যদেব শিব। তাই চাঁদ মহাদেবকে চম্পকনগরীকে ‘চ্যাংমুড়িকানী মনসার তরাসে'র হাত থেকে রক্ষা করার কথা বললে সনকা মা মনসাকে উদ্দেশ্য করে আলোচ্য মন্তব্যের অবতারণা করে।


প্রশ্ন “তিনি জ্ঞানী, তিনি আরাধ্য দেবতা।” –বক্তা কে? এখানে 'তিনি' বলতে কাকে বোঝানো হয়েছে? 

উত্তর প্রশ্নোদ্ধৃত অংশটির বক্তা চাঁদ সদাগর।

এখানে ‘তিনি’ বলতে শিবকে বোঝানো হয়েছে।


প্রশ্ন চাঁদের বাসস্থান ছিল কোন্ নগরীতে?

উত্তর

চাঁদের বাসস্থান ছিল চম্পক নগরীতে। 


প্রশ্ন “মনসার সাথে যুদ্ধে যে তোমার সবচ্যায়া বড়ো বন্ধু ছিল”-কার কথা বলা হয়েছে? সে কীভাবে মারা গিয়েছিল? 

উত্তর

মনসার সাথে যুদ্ধে চাঁদের সবচেয়ে বড়ো বন্ধু ছিল শঙ্কর গারুড়ী।

সে আচম্বিতে সর্পাঘাতে মারা যায়।


প্রশ্ন “সদাগর সর্বনাশ হয়্যা গেল।”—তাই খবরটি কে দিয়েছিল? সদাগরের কী সর্বনাশ হয়ে গিয়েছিল ?

উত্তর

ন্যাড়া প্রথম সদাগরকে এসে জানায়। সর্প বিয়ে চাঁদ সদাগরের ছয় পুত্রের মৃত্যুকালে ঢলে পড়ার সর্বনাশ হয়েছিল।


প্রশ্ন “সেই ডরে কেউ আসে নাই।”-কারা, কেন আসেনি?

উত্তর

চাঁদ সদাগরের ছয় পুত্র সর্প বিষে মারা গেলে ওঝারা তাদের দেখতে আসেনি কারণ শঙ্কর গারুড়ী মনসার কোপে মারা গেছে সেই ভয়ে।




একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Thanks For Contact 😊😊

নবীনতর পূর্বতন